মুসলিম স্থাপত্যকীর্তি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর। 211001-8-2018

 প্রশ্ন: মুসলিম স্থাপত্যকীর্তি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর। 211001-8-2018

        উত্তর: বাংলার মুসলিম স্থাপত্য এক দীর্ঘ এবং বৈচিত্র্যময় ইতিহাসের সাক্ষী সুলতানি আমল থেকে শুরু করে মোগল আমল পর্যন্ত এই স্থাপত্যরীতিতে স্থানীয় জলবায়ু, উপকরণ এবং ধর্মীয় চেতনার এক চমৎকার সমন্বয় ঘটেছে আমরা এই বিশাল ক্ষেত্রটিকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করে আলোচনা করতে পারি নিচে তা আলোচনা করা হলো:

এখানে পয়েন্ট আকারে দিলে বেশি মার্ক পাওয়া যাবে, তাই এখানে পয়েন্ট আকারে দেওয়া হয়েছে।

. সুলতানি আমলের স্থাপত্য (১৩৩৮-১৫৩৮): এই সময়ে মূলত পোড়ামাটির ইট এবং টেরাকোটার কারুকাজ প্রাধান্য পেয়েছে। বক্ররেখার ছাদ (বাঙলা চাল) এবং বহু গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদের নির্মাণ ছিল এই যুগের বিশেষত্ব। উদাহরণ হিসেবে আদিনা মসজিদ বা ষাট গম্বুজ মসজিদের কথা বলা যায়

. মোগল আমলের স্থাপত্য (১৫৭৬-১৭৫৭): মোগলরা বাংলায় আসার পর স্থাপত্যে নতুন মাত্রা যোগ হয়। ইটের সাথে পাথরের ব্যবহার, বিশাল প্রবেশদ্বার, চারকোণা বাগান (চারবাগ) এবং উঁচু মিনার বা গম্বুজের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। ঢাকার লালবাগ কেল্লা বা আহসান মঞ্জিল (পরবর্তী সংস্কারসহ) এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ

. স্থাপত্যের অলংকরণ মোটিফ: মুসলিম স্থাপত্যে জীবজন্তুর ছবির পরিবর্তে জ্যামিতিক নকশা, আরব্য লিপি (ক্যালিগ্রাফি) এবং লতাপাতার মোটিফ ব্যবহার করা হতো। এছাড়া স্থানীয় 'দোচালা' বা 'চৌচালা' ঘরের আদলে মসজিদের ছাদ তৈরির রীতিটি ছিল একেবারেই বাংলার নিজস্ব

 

আরো অন্য উত্তরের জন্য এখানে ক্লিক করুন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Comments