প্রশ্ন: সম্রাট আকবরের ধর্মনীতি
আলোচনা কর। 211001-4-2019
উত্তর: সম্রাট আকবরের ধর্মনীতি ছিল উদারতা, সহনশীলতা ও সমন্বয়ের উপর ভিত্তি করে গঠিত। তিনি বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন এবং সাম্রাজ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ন্যায়নীতি অনুসরণ করেন। তাঁর নীতি “সুলহ-ই-কুল” বা সর্বজনীন সম্প্রীতির আদর্শে পরিচালিত ছিল।
এখানে পয়েন্ট আকারে দিলে বেশি মার্ক পাওয়া যাবে, তাই এখানে পয়েন্ট আকারে দেওয়া হয়েছে।
সুলহ-ই-কুল
নীতিঃ
আকবর “সুলহ-ই-কুল” বা
সর্বজনীন শান্তির
নীতি গ্রহণ
করেন, যার
মাধ্যমে তিনি
সকল ধর্মের
মানুষের প্রতি
সমান আচরণ
নিশ্চিত করেন।
এতে ধর্মীয়
সহনশীলতা ও
সামাজিক সম্প্রীতি
বৃদ্ধি পায়।
জিজিয়া
কর রহিতকরণঃ তিনি
অমুসলিমদের উপর
আরোপিত জিজিয়া
কর বাতিল
করেন, যা
তাদের প্রতি
বৈষম্য কমায়
এবং ধর্মীয়
সমতা প্রতিষ্ঠায়
সহায়তা করে।
ধর্মীয়
আলোচনা সভাঃ আকবর
ফতেহপুর সিক্রিতে
ইবাদতখানা প্রতিষ্ঠা
করেন, যেখানে
বিভিন্ন ধর্মের
পণ্ডিতরা আলোচনা
করতেন। এতে
বিভিন্ন ধর্ম
সম্পর্কে জ্ঞান
ও পারস্পরিক
বোঝাপড়া বৃদ্ধি
পায়।
দীন-ই-ইলাহী
প্রবর্তনঃ
তিনি “দীন-ই-ইলাহী” নামে
একটি নতুন
ধর্মীয় মতবাদ
প্রবর্তন করেন,
যা বিভিন্ন
ধর্মের সেরা
দিকগুলোকে সমন্বয়
করার চেষ্টা
ছিল।
হিন্দুদের
উচ্চপদে নিয়োগঃ আকবর
হিন্দুদের প্রশাসনের
গুরুত্বপূর্ণ পদে
নিয়োগ দেন,
যা সাম্রাজ্যের
ঐক্য ও
দক্ষতা বৃদ্ধিতে
সহায়ক ছিল।
ধর্মীয়
স্বাধীনতাঃ
তিনি সকল
ধর্মের মানুষের
জন্য পূর্ণ
স্বাধীনতা নিশ্চিত
করেন, ফলে
মানুষ নিজ
নিজ ধর্ম
পালন করতে
পারত বাধাহীনভাবে।
সহনশীল
মনোভাবঃ
আকবরের সহনশীল
মনোভাব সাম্রাজ্যে
শান্তি ও
স্থিতিশীলতা বজায়
রাখতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন
করে এবং
বিভিন্ন সম্প্রদায়ের
মধ্যে ঐক্য
গড়ে তোলে।
আরো অন্য উত্তরের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
0 মন্তব্যসমূহ